নিজস্ব প্রতিবেদক | ০১:২৫ এএম, ২০২০-১১-২৬
পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের পুষ্টি পরিস্থিতি জাতীয় পুষ্টি পরিস্থিতির তুলনায় বেশ পিছিয়ে রয়েছে। দারিদ্র্য, প্রাকৃতিক প্রতিবেশ ও পরিবেশ, স্থানীয়দের খাদ্যাভ্যাস, সচেতনতার অভাব এবং কোনো কোনো ক্ষেত্রে সাংস্কৃতিক কারণে পার্বত্য চট্টগ্রামের মানুষের পুষ্টি সম্পুরক কার্যক্রম দুর্বল বলে মনে করা হয়। তাই পাহাড়ের মানুষের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে সমন্বিত পরিকল্পনার কোনো বিকল্প নেই। রাঙামাটি জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনা চুড়ান্তকরণ সভায় এই মত ব্যক্ত করেন বক্তাগণ।
বুধবার রাঙামাটি জেলাপ্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে এই কর্ম পরিকল্পনা চুড়ান্তকরণ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসক ও জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটির সভাপতি একেএম মামুনুর রশিদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ পুষ্টি পরিষদের মহা পরিচালক ডাঃ মোঃ খলিলুর রহমান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক ডাঃ হাসান শাহরিয়ার। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন ডেপুটি সিভিল সার্জন ডাঃ নিতিশ চাকমা।
প্রধান অতিথি ডাঃ খলিল বলেন, জনগণের পুষ্টি নিশ্চিতে আমাদের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে, তাই জাতীয় পুষ্টি কমিটির সভাপতির দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেই পালন করেন। পুষ্টি কমিটির সাথে জড়িত সরকারি বিভাগগুলোকে এ কারণেই আন্তরিকতা ও সতর্কতার সাথে এই বিষয়ে কাজ করতে হবে।
জেলাপ্রশাসক মামুনুর রশিদ বলেন, এসডিজি বাস্তবায়ন করতে হলে আমাদের পুষ্টি নিয়ে গুরুত্বের সাথে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। কারণ এসডিজির দুই নং দফাই হচ্ছে পুষ্টি নিয়ে। তিনি এ জেলায় প্রাণীজ আমিষ নিশ্চিতে প্রাণী সম্পদ বিভাগকে আরো যতœবান হওয়ার আহ্বান জানান।
সভায় জানানো হয়, পার্বত্য চট্টগ্রামের বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর মধ্যে ৩০০ ধরনের খাবার (ফুড আইটেম) চালু আছে। এর মধ্যে গর্ভাবস্থায় ৭১ ধরনের খাবার খেতে নিষেধ করা হয়। খাদ্য নিয়ে পাহাড়ে নানা ধরনের বিশ্বাস ও চর্চা আছে। আর এ অঞ্চলে পাঁচ বছরের কম বয়সী ৩৯ শতাংশ শিশু খর্বকায়, যা জাতীয়ভাবে ৩৬। কৃশতা ও ওজন-স্বল্পতার হারও এই অঞ্চলে বেশি। কারণ এ জেলায় ডিম দুধের উৎপাদন চাহিদার তুলনায় কম।
জেলা পুষ্টি সমন্বয় কমিটি ও লীন এর যৌথ আয়োজনে এ পরিকল্পনা সভায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোঃ মামুন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) শিল্পীরাণী রায়সহ জেলার ২২ বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্মাগণ, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাগণ, প্রেসক্লাবের প্রতিনিধি ও শিক্ষক প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে পুষ্টি সমন্বয় কমিটির বার্ষিক কর্ম পরিকল্পনার উপর কয়েকটি পাওয়ার পয়েন্ট পেজেন্টশন উপস্থাপন করেন যথাক্রমে বিএনসিসি সহকারি পরিচালক ডাঃ ফারজানা রহমান, মোঃ নিজাম উদ্দিন ও আজিজুল্লাহ মাহমুদ। অনুষ্ঠান সমন্বয়ে ছিলেন জেলা পুষ্টি কমিটির টেকনিক্যাল অফিসার ডায়ানা চাকমা।
ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের আর্থিক সহায়তায় এবং বাংলাদেশ জাতীয় পুষ্টি পরিষদের সার্বিক তত্ত্বাবধানে পুষ্টি কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে লিডারশিপ টু এড ইক্যুইট নিউট্রেশন (লীন) প্রকল্প।
ওমর ফারুক সুমন : রাঙামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় সীমান্ত সুরক্ষা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠী...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বজায় রাখা এবং পাহাড়ের সব সমà...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটি জেনারেল হাসপাতালে একদিনে সফলভাবে সাতটি ছানি অপারেশন সম্পন্ন হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে দৃষ্à¦...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : রাঙামাটিতে দুর্যোগে উপড়ে পড়া জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ের সামনের ছাতিম গাছটির স্থানে বাদাম গাছেà...বিস্তারিত
ওমর ফারুক সুমন : রাঙামাটির বাঘাইছড়িতে নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্à...বিস্তারিত
মেহেদী হাসান : ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর রাজধানীর পল্টনে আওয়ামী লীগের লাঠি-বৈঠার হামলা ও হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে রাঙ...বিস্তারিত
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত © 2026 CHTtimes24 | Developed By Muktodhara Technology Limited